মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিজিএমইএর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
গত ১৮ অক্টোবর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ডে আমদানি শেডটি ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ে। এতে কার্গো ভিলেজে থাকা তৈরি পোশাক খাতের অনেক স্যাম্পল বা নমুনা পুড়ে নষ্ট হয়। ব্র্যান্ড এবং ক্রেতাদের কাছ থেকে এসব সেম্পল এসেছিল। সেম্পল অনুযায়ী পোশাক প্রস্তুত করে থাকে কারখানাগুলো। অগ্নিকাণ্ডে পোশাকশিল্পের আমদানি কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।
গণমাধ্যমে এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামীতে এ ধরনের ক্ষতি থেকে যৌথ উদ্যোগের অংশ হিসেবে তৃতীয় টার্মিনালে (যা বর্তমানে পণ্য সংরক্ষণের জন্য প্রস্তুত নয়) দ্রুত সময়ের মধ্যে অস্থায়ী সমাধান হিসেবে ‘রাব হল’ স্থাপন করা হবে। গত ২০ অক্টোবর বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ নেতারা বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীনের সঙ্গে বৈঠক করেন। ওই বৈঠকে এ বিষয়ে সরকারের অনুমোদন নেওয়া হয়। কার্গো ভিলেজের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে এবং আমদানি পণ্যের সুরক্ষায় অস্থায়ী গুদাম করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।গত ২০ অক্টোবর বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান ও বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেমসহ দুই সংগঠনের জ্যেষ্ঠ নেতারা বাণিজ্য এবং বেসরকারি বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীনের সঙ্গে বৈঠক করেন। ওই বৈঠকে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত কার্গো ভিলেজের পরিবর্তে বিকল্প ব্যবহারের মাধ্যমে আমদানি পণ্য সুরক্ষায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
গত ১৮ অক্টোবর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ডে ৫০০ পোশাক কারখানার স্যাম্পল বা নমুনা পুড়ে বিনষ্ট হয়েছে। বিজিএমইএর হিসাবে, এ বাবদ ক্ষতির পরিমাণ আট মিলিয়ন ডলার। দেশীয় মুদ্রায় ক্ষতির এ পরিমাণ প্রায় ১০০ কোটি টাকা। প্রত্যক্ষ এ ক্ষতির বাইরে প্রকৃত ক্ষতির পরিমাণ এক হাজার কোটি টাকার কম নয়।